এবার পাক সীমান্তের কাছে হিটের পরীক্ষা চালাল ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের কাছে দুই দিনে দুটি ট্যাংক বিধ্বংসী গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। এ ক্ষেপণাস্ত্রে বসানো আছে উচ্চ বিস্ফোরণ ক্ষমতার ট্যাংক বিধ্বংসী বোমা বা এইচইএটি। একে সংক্ষেপে ‘হিট’ও বলা হয়। বুধবার ও বৃহস্পতিবার পাক সীমান্ত সংলগ্ন রাজস্থান মরুভূমিতে এ পরীক্ষা চালানো হয়।বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) দু’দিনে সফলভাবে এ পরীক্ষা চালাল ভারত। এ উচ্চ ক্ষমতা বিস্ফোরকটি আড়াই কিলোর মধ্যে সুনির্দিষ্ট হামলা চালানো হয় বলে জানা যায়। তবে সব দিক দিয়ে সফল হয়েছে বলে ভারতীয় সূত্র দাবি করেছে।
স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, মানুষের কাধে বহনযোগ্য ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র (এমপিএটিজিএম) ছোঁড়ার পর আর কোনো দিক নির্দেশনার দরকার পড়ে না। পাশাপাশি লক্ষ্যবস্তুকে সরাসরি তাক করারও প্রয়োজন হয় না। ছোঁড়ার পর লক্ষ্যে আঘাত হানার বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকা যায় বলে এ জাতীয় ক্ষেপণাস্ত্রকে ‘ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট’ নামে ডাকা হয়। এ ছাড়া, এটি ওজনেও হালকা। ভারতীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, দু’দিনের ওই কর্মসূচিতে প্রথম পরীক্ষা চালানো হয়েছিল বুধবার। দ্বিতীয়টি চালানো হয় বৃহস্পতিবার। ভারত নিজস্ব ভাবে এটি তৈরি করেছে। এ ক্ষেপণাস্ত্রে বসানো আছে উচ্চ বিস্ফোরণ ক্ষমতার ট্যাংক বিধ্বংসী বোমা বা এইচইএটি। একে সংক্ষেপে ‘হিট’ও বলা হয়। ভারতের তৈরি এমপিএটিজিএম’র পাল্লা ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বলা হয়েছে।
ভারতের ভানুরে এমপিএটিজিএম নির্মাণের কারখানা স্থাপন করা হয়েছে ভারত ডায়ানামিক্স লিমিটেড বা বিডিএল এটি স্থাপন করেছে। ২০১২ সালের মধ্যে এ কারখানায় এমপিএটিজিএমের গণ-উৎপাদন শুরু করা হবে বলে ভারতীয় সূত্র থেকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। পাকিস্তান সফলভাবে আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য চৌকস অস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর কয়েক দিনের মধ্যেই এমপিএটিজিএমের সফল পরীক্ষা চালাল ভারত। আর এতে করে দুদেশের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।