আমি গরীবের এমপি হতে চাই: হিরো আলম

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যাপক হিরো আলম খ্যাত আশরাফুল হোসেন আলম নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক প্রচারণা ও গণসংযোগ করছেন। শীত-বৃষ্টি উপেক্ষা করে কাহালু ও নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন বাজারসহ গ্রামে গ্রামে গিয়ে ভোটারদের কাছে ‘সিংহ’ মার্কায় ভোট চাইছেন তিনি। তরুণ ও যুবক ভোটারদের কাছে ব্যাপকভাবে প্রাধান্য পাচ্ছেন এই আলোচিত সংসদ সদস্য প্রার্থী। হিরো আলমকে কাছে পেয়ে বুকে টেনে নিচ্ছেন বয়স্ক বৃদ্ধ ভোটাররাও।

দিনব্যাপী নন্দীগ্রাম উপজেলার ধুন্দার বাজার, কলোনী বাজার, হামিদ বাজার, বীরপলী, কল্যাণনগর, কাথম, নামুইট, গোয়ালগাড়ি, চাকলমা, কালিশ-পুনাইলসহ বিভিন্ন বাজারে পৃথক পৃথক পথসভা ও গ্রামে গ্রামে গিয়ে ‘সিংহ’ মাকায় ভোট চেয়ে গণসংযোগ করেন বগুড়া-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম। পথসভায় শতশত ভোটার উপস্থিত হন। হিরো আলম এসেছে জানার পর গ্রামের গৃহবধূরাও ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন।

পথসভায় হিরো আলম বলেন, আমি এমপি হলে জনগণ সংসদে যাবে। তারা চাইলে এমপি-মন্ত্রী ছিনিয়ে আনতে পারে। আপনাদের ভোটেই এমপিরা সংসদে যায়। কিন্তু জনগণ কি পেয়েছে ? আমি জনতার একজন, আপনাদের পরিবারের একজন হয়ে থাকতে চাই। আপনারা একবার আমাকে সুযোগ দিন। আমি বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না। ভোটের সময় এলে অনেকেই বড় প্রতিশ্রুতি দেয়, নির্বাচিত হলে তারা কিছুই মনে রাখে না। গরীবের দুঃখ গরীবরাই বুঝে। আমি গরীবের এমপি হতে চাই। আমি কাজে প্রমাণ দিতে চাই।

ভোটের মাঠে প্রচারণায় হিরো আলমের সঙ্গে ছিলেন নন্দীগ্রাম উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আমজাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মাফু, নন্দীগ্রাম পৌর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও হিরো আলমের মনোনয়ন প্রস্তাবকারী নজরুল ইসলাম, উপজেলা যুব সংহতির সভাপতি রাসেল মাহমুদ, সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা কামালসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সূত্র : বিডি প্রতিদিন

পেঁয়াজে এত রোগ সারে জানতেন কি পড়ুন তাহলে!

সকালে ঘুম থেকে উঠে যে কাজ করলে খুব দ্রুত ফর্সা ও সুন্দর হবেন আপনিও! 

রসুনের ওপর ভিক্স লাগিয়ে দিন, তারপর এর ফলাফল দেখবেন নিজের চোখেই!