কারো হেল্প না পেয়ে ফোন করলাম হেল্পলাইন ৯৯৯ নম্বরে

সিএমএইচ (CMH)-এর পেছনের রোড (মাটিকাটা-ভাষানটেক রোড) দিয়ে আসছিলাম। হঠাৎ করে রাস্তায় দেখি একজন মহিলা পড়ে আছে। ভালো করে খেয়াল করে দেখলাম এখনো বেঁচে আছেন, মাথা ঘুরে পড়ে গেছে এটার ছাপ স্পষ্ট। রাস্তা দিয়ে বেশ অনেকেই যাচ্ছিল, সবার কাছে হেল্প চাইলাম কিন্তু কেউ হেল্প করল না। বেশ কিছুক্ষণ চেষ্টা করেও কোনো রেসপন্স পাচ্ছিলাম না কারো। অনেকে এটাও বলল “ধরে বিপদে পড়বো নাকি?” আবার এক মহিলা যেতে যেতে বলছে “এখনো তো মরে নাই”।

পাশের কয়েকটা দোকানের লোকজনের হেল্প চাইলাম। যে অন্তত ধরে হসপিটালে দিয়ে আসি। আমার পকেটে বেশি টাকা ছিল না। কারো হেল্প ও পাচ্ছিলাম না দেখে ফোন করলাম ন্যাশনাল হেল্পলাইন ৯৯৯-এ। পুরো ঘটনা এবং স্থান বললাম। পাশাপাশি এটাও বললাম আমি আসলে স্টুডেন্ট আমার কাছে এত টাকাও নেই যে একা ওনাকে নিয়ে হসপিটালে নিয়ে গিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা অবধি খরচ চালিয়ে যেতে পারব।

হেল্পলাইন থেকে যিনি ফোন ধরেছিলেন, তিনি খুব ভালোভাবে রেসপন্স করলেন এবং ভাষানটেক থানা থেকে সহযোগিতা করলেন।

ধন্যবাদ 999 National Emergency Service এত ভালো সারা পাব ভাবিনি। এবং সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ঘটনা ৯৯৯ থেকে ২ বার আমার কাছে ফোন করে আপডেট জানতে চেয়েছে। আমার কৃতজ্ঞতা জানানোর চেয়ে তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ অনেক বেশি ছিল।

ধন্যবাদ বাংলাদেশ সরকার তথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে যিনি এই ধরনের আধুনিক এবং সহযোগিতা মনোভাবে নিয়ে আমাদের সেবায় বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে যাচ্ছেন।

* Md Simanta Chowdhury’র ফেসবুক থেকে নেওয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *